Blog

ওরা অলোকার দল

208 Views0 Comment

“ডাকছে আকাশ ডাকছে বাতাস ডাকছে মাঠের সবুজ ঘাস, ও ছেলেরা খেলা ফেলে শুধুই কেন পড়তে যাস?”— আজ্ঞে হ্যাঁ, এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে শিশুদের জন্য এই লাইনগুলিই বড় প্রাসঙ্গিক। আর যাদের আমরা স্পেশাল চাইল্ড বলি তাদের জন্য? ব্যতিক্রম একটু হলেও হয় যদিও, তবে খুব বেশি নয়। ওরাও ব্যস্ত থাকে লেখাপড়া সহ অন্যান্য অ্যাকটিভিটিস-এ।

ওদের মধ্যে কেউ মানসিক আবার কেউ শারীরিক, কারোকে আবার নির্দিষ্ট করে বলা হয় অটিস্টিক। ওদের পোশাকি নাম ‘স্পেশাল চাইল্ড’। জন্মের পর থেকেই ওদের নামের সঙ্গে জুড়ে থাকে ‘স্পেশাল চাইল্ড’ শব্দ দুটি। ওদের জন্য রয়েছে আলাদা স্কুল। রয়েছে আলাদা ব্যবস্থাপনা। ওদেরকে লেখাপড়া শেখানোর ধরনধারনও এক্কেবারে আলাদা।

এমন এক সন্তানকে কোল জুড়ে পেয়ে প্রথম দিন থেকেই একজন মা চিন্তা করেন কী ভাবে বড় করে তুলবেন শিশুটিকে! এ শিশু তো আর পাঁচটা শিশুর মতো স্বাভাবিক নয়। কিন্তু না, যত সময় এগোয় তত অভ্যস্ত হয়ে পড়েন ওদের বাবা-মা-পরিবারবর্গ। ওরা স্কুলে যায়, নানাধরনের অ্যাকটিভিটি করে। ওদের মানসিক বিকাশ ঘটনোর জন্য কী ভীষণ তৎপরতা থাকে ওদের স্কুলে।
ওদের মধ্যে অনেকেই ভাল আঁকে। কেউ বা ভাল হাতের কাজ করে। ওদেরকে আনন্দ দিতেই ‘ইয়ং স্পোর্টস ফেস্টিভ্যাল’ নামে একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজিত হয় সম্প্রতি। উত্তর ২৪ পরগণার অগণিত শিশু এদিন মেতে ওঠে খেলার ছন্দে। ওদের আনন্দ সেদিন দেখে কে! কত না ধরনের খেলার আয়োজন ছিল এদিন ‘ইয়ং স্পোর্টস ফেস্টিভ্যাল’-এ! সবের মজা লুটেপুটে নেয় কচিকাঁচাগুলো
প্রাইজও তুলে দেওয়া হয় সকলের হাতে। সবমিলিয়ে একটা দারুণ দিন উপভোগ করে ওরা, যার সাক্ষী হয়ে রইল জাস্ট স্টুডিও।

– নবনীতা দত্তগুপ্ত